
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাঁর সংযুক্তির আদেশ বাতিল করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ করিম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেনের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং সংযুক্তিতে থাকা অবস্থায় একই বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের উদ্দেশ্যে ওয়াশরুমে আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে মো. আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ওই শিক্ষিকাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন আচরণ করার অভিযোগও ওঠে।
আরও জানা যায়, বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন কাজের অজুহাতে নিয়মিত ক্লাস না করে বাইরে ঘোরাফেরা করতেন তিনি। এতে অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি নাকি বলতেন, “শিক্ষক নেতাদের ক্লাস করতে হয় না।”
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দশমিনা উপজেলা শিক্ষা অফিসে এসে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তদন্ত চলাকালে শিক্ষক নেতা মো. আনিস আহমেদের উপস্থিতিতেই অধিকাংশ শিক্ষক তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত ও মৌখিকভাবে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন।
তদন্ত শেষে গত বৃহস্পতিবার দশমিনা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর সংযুক্তির আদেশ বাতিল করা হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. আনিস আহমেদের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বর ০১৭২৫-৪৪০৬৪৩-এ একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।