
এই সেই কথিত সাংবাদিক আবুল কালাম মজুমদার।গ্রামের বাড়ি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা হলেও গাঁ ডাকা দিয়ে থাকছেন কুমিল্লা শহরের এক প্রান্তে।তিনি নিজেকে দেশের জাতীয় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সাংবাদিক দাবি করে জেলা/উপজেলার সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারী,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, এলাকার সচেতন মহলও সর্বসাধারণের বিরুদ্ধে প্রায়ই ফেইসবুকে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।যেসব প্রচারগুলো সম্পূর্ণ রুপে মিথ্যা,ভিত্তিহীনও বানোয়াট।অভিযোগ উঠেছে আবুল কালাম মজুমদার এসব করে প্রাইভেট কার ধাবড়িয়ে সারাদিন ঘুরে বেড়ান এবং রাতের বেলায় ভূক্তভোগির ওয়াটসপ,ম্যাসেন্জারও ইমুতে এসএমএস দিয়ে বলেন-আপনার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আমার কাছে রয়েছে,আপনি দেখা করুন, আমি যেভাবে দিকনির্দেশনা দিবো সেভাবে আপনাকে চলতে হবে।এর ব্যতিক্রম কিছু হলে খবর আছে।এরুপের কথোপকথন ও হুমকির ধরণ জেলার অন্যান্য উপজেলায় কিছুটা কম করলে তার নিজ উপজেলা চৌদ্দগ্রামে প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছেন।অথচ পুরো মাস জুড়ে তার নিজের করা একটি সংবাদেরও বহিঃপ্রকাশ নেই।সে নিজে নিজে কল রেকর্ড করে,তার ছবি উপরে দিয়ে নিচে হেনস্তাকারীর ছবি সংযুক্ত করে এক রকম মানহানিও ব্ল্যাকমেইল করে আসছে।তিনি শারিরীক ভাবে পঙ্গুত্ব অবস্থায় জীবন যাপন করলেও যে কোনো শ্রেণি পেশার মানুষকে মূল্যায়ন করছেন তার পায়ের সমতূল্য।এমন অপদার্থ একজন ব্যক্তি আজ কুমিল্লা জেলা থেকে প্রকাশিত কুমিল্লা প্রতিদিন নামক একটি পত্রিকার সম্পাদকও বটে।তার এসব ক্ষমতার দাপটে অতিষ্ঠ জেলার সর্বসাধারণরা,যেন দেখার কেউ নেই।