1. dailydigantabarta@gmail.com : dailydigantabarta :
পটুয়াখালীতে শীত মৌসুমে অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠত প্রকৃতি  তবে এখন সেই দৃশ্য প্রায় বিলীন। - dailydigantabarta
১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| সন্ধ্যা ৭:২১|
শিরোনামঃ
পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২৭৩ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে পটুয়াখালীতে জেলা প্রশাসন উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা দুমকি উপজেলার মুরাদিয়ায় ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান কল্যান ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ পটুয়াখালী সদর উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন বাউফলে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল ধ্বংস অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, ধানখালী ডিগ্রি কলেজে অচলাবস্থা রাঙ্গাবালীতে জেলে চাল বিতরণে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের চালিতাবুনিয়ায় জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ মির্জাগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীতে শীত মৌসুমে অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠত প্রকৃতি  তবে এখন সেই দৃশ্য প্রায় বিলীন।

মোঃশহিদুল আলম পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, নভেম্বর ১৪, ২০২৫,
  • 441 Time View

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতে, সোনার চর, চরহেয়ার, তুফানিয়াচরসহ আশপাশের চরাঞ্চলে আর গ্রামগঞ্জে শীত মৌসুমে অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠত প্রকৃতি। তবে এখন সেই দৃশ্য প্রায় বিলীন। স্থানীয়রা বলছেন, আগে যেসব জায়গায় শত শত পাখি দেখা যেত, এখন সেখানে কয়েকটি পাখিও দেখা যায় না।

বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন, আবাসস্থল ধ্বংস, জলাশয় ভরাট, নির্বিচারে গাছপালা কাটা, খাদ্যের অভাব এবং শিকারীদের দৌরাত্ম্য- এসব কারণে অতিথি পাখিরা তাদের পুরোনো অভয়ারণ্য ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে।

স্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) এর প্রকল্প সমন্বয়কারী মোহসীন তালুকদার বলেন, “অতিথি পাখিরা শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বাড়ায় না, তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে কিন্তু এখন আর আগের মতো দেখা মেলে না। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, কৃষিজমিতে রাসায়নিক ব্যবহার এবং চরাঞ্চলে মানুষের অতিরিক্ত অতিথি পাখি শীকারের কারনে এসব পাখির নিরাবদ আবাসস্হল ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতের স্থানীয় কৃষক মো. রাসেল হাওলাদার বলেন, আগে শীতকাল এলেই এই সৈকতে হাজার হাজার অতিথি পাখির দেখা মিলত। নানা প্রজাতির পাখিতে মুখর থাকত চারপাশ। কিন্তু এখন আর সেই দৃশ্য দেখা যায় না। বছর বছর পাখির সংখ্যা কমে যাচ্ছে, যা আমাদের জন‍্য খুবই দুঃখজনক।

বন বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, অতিথি পাখিদের আবাস নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। জনগণকে সচেতন হতে হবে, পাখিদের উৎপীড়ন নয়, বরং তাদের স্বাভাবিক বিচরণ ও বাসস্হান রক্ষা করতে হবে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ঘনঘন বৈরী আবহওয়া ও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উপকূলে অতিথি পাখির আগমনও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে।

তাই পাখি সংরক্ষণের জন্য আইন প্রয়োগ ও জনসচেতনতা জরুরি। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ও পাখিদের বাচিয়ে রাখার প্রয়োজন আছে। পাখি হলো প্রকৃতির কীটনাশক। পাখির সংখ্যা কমে গেলে কীটপতঙ্গের অত‍্যাচারে অসম্ভব হয়ে পড়বে ফসল ফলানো। সেটিই যদি হয়, তাহলে নির্ভর করতেই হবে কীটনাশকের ওপর। কিন্তু এটি তো পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর। যে দেশে পাখি বেশি সে দেশে পর্যটকের সংখ্যা বেশি। কাজেই পাখি ঘাটতি অবশ্যই উদ্বেগের ব‍্যাপার।

এলাকাবাসী ও পরিবেশবাদীরা চান , সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর দ্রুত উদ্যোগ নিক পাখির আবাসস্থল ফিরিয়ে আনতে এবং শিকার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করুক। না হলে এই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।#

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৫ দৈনিক দিগন্ত বার্তা           Themes Created by BDITWork