
ঢাকা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর যাত্রী ছাউনি এলাকায় দ্রুতগতির প্রাইভেটকার উলটে তিনজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও একজন আহত হয়েছে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন প্রাইভেট কারের যাত্রী রাইসা আক্তার (২০), আরমান হোসেন (২৫) ও তানজিল (২৫)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন প্রাইভেট কারের আরেক যাত্রী রবিন হোসেন তাঁর বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায়। সে ঠান্ডুর ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। শ্রীনগর হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার দেওয়ান আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জের মাওয়া এলাকা হতে একটি প্রাইভেটকার ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথে শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর এলাকায় প্রাইভেটকারটি চাকা পাংচার হয়ে সড়ক বিভাজনের সাথে ধাক্কা লাগলে দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হয়েছেন। আরোও দুজনকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা আরও একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আরও একজনকে। আহত ব্যক্তির অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
দেওয়ান আজাদ জানান, এক্সপ্রেসওয়েতে মাওয়া থেকে ঢাকামুখি লেনে দ্রুতগতির প্রাইভেট কার উলটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয় এক্সপ্রেসওয়েতে। পরে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করলে কিছুক্ষণ পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
চাকা পাংচার এর কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে হাইওয়ে পুলিশ।
হাসারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, প্রাইভেটকারটি মাওয়া হতে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। চাকা পাংচার হয়ে যাওয়ার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বিভাজনের সাথে ধাক্কা লাগে প্রাইভেটকারটির। প্রাইভেটকারের দুই যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হয় অপর একজন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায়। পরে আমরা নিজেরা চাকা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রাইভেটকারটি সড়ক থেকে সরিয়ে নিয়েছি এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।