1. dailydigantabarta@gmail.com : dailydigantabarta :
অনেক ভারতীয় মুসলিমকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে: এইচআরডব্লিউ - dailydigantabarta
১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| সকাল ৮:৫৭|
শিরোনামঃ
পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২৭৩ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে পটুয়াখালীতে জেলা প্রশাসন উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা দুমকি উপজেলার মুরাদিয়ায় ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান কল্যান ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ পটুয়াখালী সদর উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন বাউফলে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল ধ্বংস অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, ধানখালী ডিগ্রি কলেজে অচলাবস্থা রাঙ্গাবালীতে জেলে চাল বিতরণে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের চালিতাবুনিয়ায় জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ মির্জাগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

অনেক ভারতীয় মুসলিমকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে: এইচআরডব্লিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : রবিবার, জুলাই ২৭, ২০২৫,
  • 663 Time View

আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই গত কয়েক সপ্তাহে শত শত বাঙালি মুসলিমকে ভারত জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ভিত্তিক সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। এতে বলা হয়েছে, এসব বাঙালি মুসলিমদের অনেকেই বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা। তারা ভারতীয় নাগরিক। তবে ঠেলে পাঠানোর সময় তাদের অবৈধ অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

বুধবার নিজেদের ওয়েবসাইটে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এইচআরডব্লিউ। এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাস থেকে হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সরকার বাঙালি মুসলিমদের বাংলাদেশে পাঠানোর অভিযান জোরদার করে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, এটি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ ঠেকানোর একটি পদক্ষেপ। এইচআরডব্লিউ’র এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক এলেইন পিয়ারসন বলেন, বিজেপি নির্বিচারে বাঙালি মুসলিমদের, এমনকি ভারতীয় নাগরিকদেরও দেশ থেকে বিতাড়িত করে বৈষম্যকে আরও উসকে দিচ্ছে। অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করার যে দাবি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ করছে, তা মোটেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। কারণ তারা আইনগত প্রক্রিয়া, সংবিধানিক অধিকার এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা দেখাচ্ছে না।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ গত জুন মাসে ১৮ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন, জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠানোর পর ফেরত আসা ভারতীয় নাগরিক ও এবং আটক ও এখনো নিখোঁজ থাকাদের পরিবারের সদস্যরা। এ নিয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ৮ জুলাই একটি প্রতিবেদন দিয়েছে এইচআরডব্লিউ। তবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ভারত সরকার ‘পুশ-আউট’ বা জোরপূর্বক ঠেলে পাঠানো ব্যক্তিদের সংখ্যা নিয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, গত ৭ মে থেকে ১৫ জুনের মধ্যে ভারত বাংলাদেশে দেড় হাজারের বেশি মুসলিম পুরুষ, নারী ও শিশুকে ‘পুশ-ইন’ করেছে। তাদের মধ্যে প্রায় ১০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী, যারা মায়ানমার থেকে এসেছে। এই ‘পুশ-ইন’ এখনও চলমান।

এইচআরডব্লিউ বলছে, বিজেপি শাসিত আসাম, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, ওড়িশা ও রাজস্থান রাজ্যের কর্তৃপক্ষ মূলত দরিদ্র মুসলিম অভিবাসী শ্রমিকদের আটক করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের কাছে হস্তান্তর করেছে। কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ আছে যে, নাগরিকত্বের দাবির যথাযথ যাচাই না করেই সীমান্তরক্ষী বাহিনী আটক ব্যক্তিদের বাংলাদেশের দিকে ‘পুশব্যাক’ করতে হুমকি ও মারধরের মতো নিপীড়নমূলক পন্থা অবলম্বন করেছে। এর ফলে, ‘পুশ-আউট’ করা ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণিত হয়েছে, ভারত সরকার তাদের ফেরত নিতে বাধ্য হয়েছে।ভারতীয় নাগরিক ও আসামের একটি স্কুলের সাবেক শিক্ষক খায়রুল ইসলাম (৫১) এইচআরডব্লিউকে বলেছেন, গত ২৬ মে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা তাঁর হাত বেঁধে, মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠায়। ওই সময় তাঁর সঙ্গে আরও ১৪ জন ছিলেন।

খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘আমি যখন বাংলাদেশে সীমান্ত পার হতে অস্বীকৃতি জানাই, তখন বিএসএফ অফিসার আমাকে মারধর করে এবং চারবার আকাশে রাবার বুলেট ছোড়ে। দুই সপ্তাহ পর আমি কোনোভাবে ভারতে ফিরে আসতে সক্ষম হই।’

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক ও দেশ ছাড়া করা মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। যেকোনো ‘পুশ-আউটের’ শিকার ব্যক্তির জন্য ভারত সরকারকে অবশ্যই মৌলিক আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এর মধ্যে আছে, দেশ ছাড়া করার কারণ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানানো, দক্ষ ও উপযুক্ত আইনজীবীর সহায়তা পাওয়ার সুযোগ দেয়া এবং বিতাড়নের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রাখা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৫ দৈনিক দিগন্ত বার্তা           Themes Created by BDITWork