
বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে পানির পাম্প, নিয়ম অনুযায়ী সরকারি অনুমোদন থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ পানির পাম্পের নেই কোন সঠিক কাগজপত্র, এমনকি সরাসরি টিউবলের সাথে পাইপ দিয়ে বোতল ভরে দীর্ঘদিন ধরে বাজারজাতক করছেন তারা, এভাবেই চলছে এদের রমরমা পানির ব্যবসা দিনের বেলায় বিভিন্ন কাজে কর্মের সাথে জড়িত থাকলেও রাতের আঁধারে দিনের পর দিন সম্পূর্ণ অবৈধভাবে সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ী ব্যবসা করে যাচ্ছেন, যে সকল পানির পাম্প বিভিন্ন উপজেলায় বেনামে গড়ে উঠেছে তার বেশির ভাগই কেমিক্যাল ব্যবহার করছেন যে কেমিক্যাল এর পরিমাণ একটু বেশি হলেই বাচ্চাদের হার্ড ব্লক হতে পারে, এমনকি ছোট বড় সব ধরনের মানুষের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তবুও এ ধরনের পানির পাম্প দিনের পর দিন কিভাবে চলছে, তবুও এই পানি বাজারজাতক করছেন কি করে তা অনেকেরই জানা নেই এলাকার সাধারণ মানুষের ধারণা বিভিন্ন দপ্তরকে টাকা দিয়েই এ ধরনের বাণিজ্য করে থাকেন এ সকল অসাধু ব্যবসায়ীরা, যে কারণেই এরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন যে সকল উপজেলায় পানির পাম্প তৈরি করা হয়েছে, মোল্লারহাট, বাগেরহাট, ফকিরহাট, রামপাল, মোংলা, কচুয়া, মোড়লগঞ্জ, শরণখোলা, চিতলমারি, এসকল উপজেলায় বিভিন্ন ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা এ সকল পানির পাম্পের পানি খেয়ে অনেকেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন যা অনেকেরই জানা নেই ফ্রেশ পানি মনে করে এ সকল পানি যারা খাচ্ছেন তারা নিজেরাও জানেন না এই পানি খেয়েই তারা বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, অতি দ্রুত এ সকল অবৈধ পানির পাম্প বন্ধ না করতে পারলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হতে পারে এ সকল উপজেলার সাধারণ মানুষ, তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন যাহাতে খুব দ্রুত এ সকল অবৈধ পানির পাম্পকে বন্ধ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।