
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর চারটি আসনের মধ্যে দুটি আসনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি। তবে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) ও পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের প্রার্থী ঘোষণা সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে বিএনপি’র নীতিনির্ধারণী মহল।
সোমবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি জানান,
পটুয়াখালী-১ (সদর, দুমকি ও মির্জাগঞ্জ) আসনে সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী,
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন মনোনয়ন পেয়েছেন।
তবে পটুয়াখালী-২ ও ৩ আসনের প্রার্থী ঘোষণা সাময়িক স্থগিত রাখার কথা জানান মহাসচিব।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, এই দুই আসনে একাধিক প্রভাবশালী প্রার্থী থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সময় নিচ্ছে দল।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা মনির হোসেন,
সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার,
কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন তালুকদার,
এবং জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
অন্যদিকে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন—
বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা হাসান আল মামুন,
জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মোঃ শাহ আলম,
জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও প্রয়াত সংসদ সদস্য শাজাহান খানের পুত্র মোঃ শিবলু খান,
এবং সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি।
উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ২২ অক্টোবর পটুয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে এক চিঠি দেওয়া হয়েছিল। তাতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নূর-কে তার নিজ এলাকা পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সহায়তা করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ওই চিঠিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জোট নেতাদের মধ্যে প্রার্থী নির্ধারণ নিয়ে কানাঘুষা শুরু হয়, যার রেশ এখনো পুরোপুরি কাটেনি।