1. dailydigantabarta@gmail.com : dailydigantabarta :
বরিশাল জেলার, বাকেরগঞ্জ উপজেলার, দারিয়াল ইউনিয়নের, বগা খেয়া ঘাটে নিরবে চলছে একটি ভয়ংকর চক্রের চাঁদাবাজি - dailydigantabarta
১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| সকাল ৬:৩৮|
শিরোনামঃ
পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২৭৩ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে পটুয়াখালীতে জেলা প্রশাসন উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা দুমকি উপজেলার মুরাদিয়ায় ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান কল্যান ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ পটুয়াখালী সদর উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন বাউফলে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল ধ্বংস অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, ধানখালী ডিগ্রি কলেজে অচলাবস্থা রাঙ্গাবালীতে জেলে চাল বিতরণে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের চালিতাবুনিয়ায় জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ মির্জাগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

বরিশাল জেলার, বাকেরগঞ্জ উপজেলার, দারিয়াল ইউনিয়নের, বগা খেয়া ঘাটে নিরবে চলছে একটি ভয়ংকর চক্রের চাঁদাবাজি

মোঃ হাচান স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : শুক্রবার, আগস্ট ২৯, ২০২৫,
  • 168 Time View

বাকেরগঞ্জ উপজেলার দারিয়ালী ইউনিয়ন এর বগা খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার পাশাপাশি যাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ।

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোন ভাড়ার তালিকা নেই। নেই কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা, কেবল মাত্র নদী পারাপারের জন্য খেয়ায় চড়লেই গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। আর রাতের চিত্র তো আরও ভয়াবহ। জরুরি কাজে পারাপার কিংবা অসুস্থ রোগী নিয়ে নদীর ওপারে পৌঁছাতে হলে ফোন দিয়ে পাওয়া যায় না তাদের। কখনো যদি রাতে পারাপারের সুযোগ পাওয়া যায় তখন গুনতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা। আর এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে চলছে গ্রামীণ জনপথের খেয়াঘাট ইজারাদারদের নৈরাজ্য। মানুষের সেবা নয়, খেয়া পারাপারের নামে এসব ঘাটে চলছে নিরব চাঁদাবাজী। বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের বগা টু কাটাদিয়া খেয়াঘাটের এ চিত্র সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

প্রতিদিন এসব খেয়াঘাট দিয়ে শতশত মানুষের পারাপার। তবে এই খেয়াঘাটে যাত্রী পারাপারের জন্য এই ঘাটে নেই কোন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়ার চাট বা তালিকা টানায়নি ইজারাদাররা। ফলে ইচ্ছেমত যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। অসুস্থ রোগী কিংবা জরুরি প্রয়োজনে পারাপার হতে হলে গুনতে হয় অতিরিক্ত ভাড়া, করা হয় না সময়মতো পারাপার, ঘাটে এসে বসে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা। আর চড়া মূল্য আদায় এবং তাড়াতাড়ি খেয়া পারাপার করার প্রতিবাদ কিংবা দর কষাকষি করলেই হতে হয় তাদের কাছে লাঞ্চনার শিকার। এমন কী গায়ে হাত তোলার মতো দুঃসাহস দেখিয়ে থাকে তারা। বগা এলাকায় বিকল্প পারাপারের কোন ব্যবস্থা না থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই পার হতে হয় বগা খেয়া এ ঘাটে ভাড়ার নামে নেওয়া হয় মোটা অংকের চাঁদা ও তার পাশাপাশি হুমকি ও লাঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে যাত্রীদের।

স্থানীয়দের মতে পূর্বে এখানে যাঁরা খেয়া পারাপারের দ্বায়িত্বে ছিলেন তাদের আচরণবিধি এমন ছিলো না। কিন্তু এখন যাঁরা পারাপারের দ্বায়িত্বে রয়েছে তাঁরা পেশিশক্তির প্রভাব বিস্তার করছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই পেশিশক্তির উৎস বা সাহস তাঁরা কোথা থেকে পাচ্ছে এবং এ শক্তির পিছনে কে রয়েছে ??

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৫ দৈনিক দিগন্ত বার্তা           Themes Created by BDITWork