1. dailydigantabarta@gmail.com : dailydigantabarta :
প্রতিহিংসার জেরে শিক্ষিকার হাতে ছাত্রীর উপর নির্যাতন - dailydigantabarta
১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| সকাল ৬:৩৬|
শিরোনামঃ
পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২৭৩ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে পটুয়াখালীতে জেলা প্রশাসন উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা দুমকি উপজেলার মুরাদিয়ায় ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান কল্যান ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ পটুয়াখালী সদর উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন বাউফলে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল ধ্বংস অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, ধানখালী ডিগ্রি কলেজে অচলাবস্থা রাঙ্গাবালীতে জেলে চাল বিতরণে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের চালিতাবুনিয়ায় জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ মির্জাগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

প্রতিহিংসার জেরে শিক্ষিকার হাতে ছাত্রীর উপর নির্যাতন

তরিকুল ইসলাম মুন্না পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
  • Update Time : বুধবার, আগস্ট ২৭, ২০২৫,
  • 486 Time View

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঝাটিবুনিয়া ম.ই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নির্মমভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ আগস্ট (২০২৫) ঝাটিবুনিয়া ম.ই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময়ে শিক্ষক সুমাইয়া আক্তার তার পুত্র সানি ও সহপাঠী অনন্যার মধ্যে পড়ালেখা নিয়ে কথা বলাকে কেন্দ্র করে ক্ষিপ্ত হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, সহকারী শিক্ষক সুমাইয়া আক্তার প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ছাত্রী অনন্যাকে হাতে থাকা বেতের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি প্রহার করেন। এতে লাঠি ভেঙে গেলে তিনি দুই হাতে কিল-ঘুষি ও চুল ধরে টেনে মাটিতে ফেলে দেন। এমনকি ছাত্রীটির বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাথি মারেন এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন।

এতে গুরুতর আহত অনন্যাকে প্রথমে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, ঘটনাটি ছাত্রীটির মানসিক অবস্থার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।

ভুক্তভোগীর বাবা গোলাম কবির সিকদার বলেন,

“আমার মেয়ে দীর্ঘদিন অসুস্থ। ঘটনার দিন শিক্ষিকা তাকে অকারণে মেরে আহত করেছেন। আমি তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা চাই এবং আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকা সুমাইয়া আক্তার বলেন, বেত টি আগেই ভাঙ্গা ছিল সেটা আমাদের স্কুলের সকল শিক্ষক জানে। ক্লাসে যারা পড়া বলতে পারেনি ওই দিন সকলকে পিটিয়েছি কিন্তু অনন্যাকে হাত পাততে বলায় সে হাত সামনে দেয় নাই,

এই বিষয়টি স্থানীয়ভাবে এবং প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে মীমাংসা হয়ে গেছে।

আইনজীবীরা জানান, কোনো শিক্ষক যদি ছাত্র-ছাত্রীকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন, তবে তা শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং ফৌজদারি আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অপরাধ প্রমাণিত হলে তিনি চাকরিচ্যুতির পাশাপাশি কারাদণ্ড বা জরিমানার সম্মুখীন হতে পারেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন,

আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রধান শিক্ষক এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে বিষয়টা খতিয়ে দেখার জন্য বলেছি এবং প্রাথমিকভাবে শোকজ করার জন্য বলেছি, অপরাধ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৫ দৈনিক দিগন্ত বার্তা           Themes Created by BDITWork