বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের সভাপতি মেজবাহ্ উদ্দিন তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করেছেন। একান্ত অনুভূতিতে তিনি জানান, ১৯৭৯ সালে গলাচিপা থানার প্রথম ছাত্রদল প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তাঁর রাজনীতিতে যাত্রা শুরু হয়।
এরপর রাজধানীর জগন্নাথ কলেজে ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে যুক্ত হন এবং সেখানেও সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশ নেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কারণে তিনি তাঁর শিক্ষাজীবন শেষ করতে না পেরে নিজ এলাকা চালিতাবুনিয়ায় ফিরে আসেন।
১৯৮৯ সালে বিএনপির ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মেজবাহ্ উদ্দিন, এবং টানা ২০২২ সাল পর্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই দীর্ঘ সময়ে রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়ে তাঁকে কয়েকবার কারাবরণও করতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, তাঁর রাজনৈতিক জীবনে তিনি পাঁচজন গুণী নেতার সান্নিধ্য লাভ করেছেন, যাঁরা তাঁর পথপ্রদর্শক ছিলেন। তারা হলেন:
১। জনাব আব্দুল বাতেন তালুকদার
২। জনাব মোস্তাফিজুর রহমান
৩। জনাব জাহাঙ্গীর আকন
৪। জনাব মোহাম্মদ আতিক মিয়া
৫। জনাব মোশাররফ হোসেন
এই তালিকায় বিশেষভাবে উল্লেখ করেন মোশাররফ হোসেনকে, যিনি একজন কর্মীবান্ধব নেতা এবং এখনো তাঁর প্রিয় নেতা ও রাজনৈতিক প্রেরণা হিসেবে বিবেচিত।
এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে মেজবাহ্ উদ্দিন বলেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাদের নেতা মোশাররফ হোসেন ভাইকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করুন।”
শেষে তিনি এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দোয়া কামনা করেন যেন তিনি আগামীতেও সৎভাবে জীবনযাপন করতে পারেন।
মেজবাহ্ উদ্দিন
সভাপতি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন, রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালী।