আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি কেটু মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপীসহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) ও র্যাব-১। গ্রেফতার অভিযানে অংশ নেয় জিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (দক্ষিণ), বাসন মেট্রো থানা পুলিশ এবং র্যাবের বিশেষ দল।
পুলিশ জানায়, তুহিন হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী কেটু মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপীকে শুক্রবার (৮ আগস্ট) গভীর রাতে গাজীপুরের ভবানীপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। হত্যায় সরাসরি জড়িত আলামিনকে ঢাকার তুরাগ এলাকা থেকে আটক করে বাসন মেট্রো থানা পুলিশ।
এছাড়া, র্যাব-১ স্বাধীনকে, জিএমপি গোয়েন্দা বিভাগ (দক্ষিণ) সুমনকে, বাসন থানা পুলিশ ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে শাহজালালকে এবং বাসন থানার চান্না মাহবুব স্কুল মোড় এলাকা থেকে ফয়সালকে গ্রেফতার করে।
গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত পৌনে ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরের ব্যস্ত চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় নৃশংসভাবে খুন হন সাংবাদিক তুহিন। জানা যায়, স্থানীয় একটি অপরাধী চক্রের অস্ত্রের মহড়ার ভিডিও ধারণ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে কেটু মিজানসহ তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
ঘটনার পরপরই জিএমপি ও র্যাব যৌথ অভিযান শুরু করে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই মূল আসামিসহ সাতজনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকা কারণ ও অন্যান্য জড়িতদের শনাক্তে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
সাংবাদিক সমাজ এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।